রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুর উপজেলায় কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে দক্ষিণ বঙ্গের ঐতিহ্যবাহী মসলা ফসল ‘চুইঝাল’।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে খুলনা-যশোর অঞ্চলে জনপ্রিয় এই বিশেষ মসলা এখন রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার মাটিতেও চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।স্থানীয় কৃষকদের মাঝে আশার আলো জাগিয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, চুইঝাল একটি লতা জাতীয় গাছ, যার কাণ্ড ও শিকড় মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি রান্নায় বিশেষ স্বাদ ও ঝাঁঝ যোগ করে, ফলে বাজারে এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে গরু ও খাসির মাংস রান্নায় চুইঝালের ব্যবহার অত্যন্ত জনপ্রিয়। মোহনপুর উপজেলার কয়েকজন উদ্যমী কৃষক পরীক্ষামূলকভাবে এই ফসলের চাষ শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে গাছের বৃদ্ধি ও পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর দিক থেকে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম নিয়মিত পরামর্শ ও তদারকি করছেন। মুলত কৃষি কর্মকর্তার উদ্যোগেই কৃষকেরা চুইঝাল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, চুইঝাল চাষে তুলনামূলক কম খরচ হয় এবং একবার গাছ লাগালে বহু বছর ধরে উৎপাদন পাওয়া যায়। ফলে এটি কৃষকদের জন্য লাভজনক একটি বিকল্প ফসল হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
স্থানীয় কৃষকরা আশা করছেন, সঠিক প্রশিক্ষণ ও বাজারজাতকরণে সহায়তা পেলে মোহনপুরে চুইঝাল চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।চুইঝাল চাষ ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হবে এটি এলাকার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান, নতুন ফসল হিসেবে চুইঝালের সম্ভাবনা যাচাই করে কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সবমিলিয়ে মোহনপুরের কৃষিতে চুইঝালের এই নতুন সংযোজন ভবিষ্যতে কৃষি বৈচিত্র্য বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে খুলনা-যশোর অঞ্চলে জনপ্রিয় এই বিশেষ মসলা এখন রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার মাটিতেও চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।স্থানীয় কৃষকদের মাঝে আশার আলো জাগিয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, চুইঝাল একটি লতা জাতীয় গাছ, যার কাণ্ড ও শিকড় মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি রান্নায় বিশেষ স্বাদ ও ঝাঁঝ যোগ করে, ফলে বাজারে এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে গরু ও খাসির মাংস রান্নায় চুইঝালের ব্যবহার অত্যন্ত জনপ্রিয়। মোহনপুর উপজেলার কয়েকজন উদ্যমী কৃষক পরীক্ষামূলকভাবে এই ফসলের চাষ শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে গাছের বৃদ্ধি ও পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর দিক থেকে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম নিয়মিত পরামর্শ ও তদারকি করছেন। মুলত কৃষি কর্মকর্তার উদ্যোগেই কৃষকেরা চুইঝাল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, চুইঝাল চাষে তুলনামূলক কম খরচ হয় এবং একবার গাছ লাগালে বহু বছর ধরে উৎপাদন পাওয়া যায়। ফলে এটি কৃষকদের জন্য লাভজনক একটি বিকল্প ফসল হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
স্থানীয় কৃষকরা আশা করছেন, সঠিক প্রশিক্ষণ ও বাজারজাতকরণে সহায়তা পেলে মোহনপুরে চুইঝাল চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।চুইঝাল চাষ ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হবে এটি এলাকার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান, নতুন ফসল হিসেবে চুইঝালের সম্ভাবনা যাচাই করে কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সবমিলিয়ে মোহনপুরের কৃষিতে চুইঝালের এই নতুন সংযোজন ভবিষ্যতে কৃষি বৈচিত্র্য বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আলিফ হোসেন